মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১২

Adsense পর্ব-১: ব্লগিং করে টাকা আয়ের এক মাধ্যম


Adsense পর্ব-১: ব্লগিং করে টাকা আয়ের এক মাধ্যম

প্রথমেই বলে রাখি,আমার মতো যদি আপনি বাংলা ব্লগ চালু করে থাকেন তাহলে adsense এর চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।কারন adsense এখন পর্যন্ত বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই এটা বলা যায়,আমরা যারা বাংলায় ব্লগিং করি তারা অনেকটা নি:স্বার্থ ব্লগিং করি।যদিও adsense এর বিকল্প অনেক রয়েছে।কিন্তু সেপুলোর রেট adsense এর ধারে কাছেও যাবে না।
ব্লগিং করে কি অনলাইনে আয় করা সম্ভব? হ্যা সম্ভব।কিন্তু অনেকের কাছেই অনলাইনে আয় বিষয়ক ভাবনাটাই কাল্পনিক মনে হয়।তা মনে হবেই আপনি যদি মনে করেন কিছু বিষয় শিখলেন এবং একদিনেই ডলার কামানো শুরু করবেন তাহলে তো ভাই হবে না।একটু ধৈর্য ধরতে হবে।যাহোক মূল কথায় আসি।
Google adsesne কি ?
Google adsense হলো গুগলের advertising programme.
২০১০ সালের Q1তে, গুগল $২.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল ($৮.১৬ বিলিয়ন বার্ষিক), অথবা অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০% আয় করেছিল।এডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পরে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বন্টন করে। ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারে। বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওয়েবমাস্টরদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল। গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে। প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন।

শখের বশে ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাই।সে শখের পালে adsense এনে দিতে পারে অর্থের সুবাতাস।মনে করুন,আপনার ব্লগে/সাইটে রোজ ১০০০ ভিজিটর আসে।এদের মধ্যে ১০% ভিজিটরও যদি গুগলের ads এ ক্লীক করে তাহলে রোজ জমা হবে ১০ডলার,মাসে ৩০০ ডলার।ভাবছেন তাহলে তো খুবই সোজা।নিজেই অন্য জায়গা থেকে ক্লীক করবো।সেটাও পারবেন না।কারন ভূয়া ক্লীক বোঝা গেলে উল্টো আপনার adsense আইডি বাতিল হবে।কাজেই প্রতারনার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।ভেবে চিন্তে একটা মানসম্মত ব্লগ/সাইট তৈরী করুন।তারপর adsense এরজন্য আবেদন করুন।মনে রাখবেন,adsense বাংলা সাপোর্ট করে না।তাই ব্লগে বাংলা কন্টেন্ট দেবেন।ব্লগাররা adsense-এ আবেদন করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল করবেন-
*স্ম্পূর্ন ব্লগ ইংলিশে বানান।
*অন্য সাইট থেকে পোস্ট কপি করবেন না।পোস্টটি নিজের মতো করে লিখুন।
*প্রায় প্রতিদিনই পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবেন।
*অন্তত ১৫/১৬টি ইউনিক পোস্ট রাখবেন।
* সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনসমূহে ইনডেক্স করুন।
*সাইটে পর্নো কন্টেন্ট রাখবেন না।
এসব বিষয় খেয়াল করলে আপনার adsense পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
এরপরের পোস্টে আমরা জানবো বিকল্প উপায়ে adsense পাবার উপায়।সে পর্যন্ত বিদায়।
লিখেছেনঃ খালেদ মাহমুদ খান
আমি একজন নিভৃতচারী মানুষ।প্রযুক্তি আমার প্রিয় বিষয়।আমি প্রযুক্তি নিয়ে লিখতে স্বাচ্ছন্দবোধ করি।আমার লেখালেখির শুরু দৈনিক প্রথম আলো থেকে ।এখনো লিখি সেখানেই ।কিন্তু পত্রিকায় লেখার কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে ,ব্লগে কোন সীমাবদ্ধতা নেই ।সেই ভাবনা থেকেই আমি ব্রগে লিখতে শুরু করি ।মানুষকে হেলপ করার চেষ্টায় এখন পিসি হেলপলাইনে লিখছি।হয়তো আমি খুব বেশী জানি না,হয়তো আমি অতি সাধারন একজন মানুষ।কিন্তু আমি সামান্য যা জানি তা যদি অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারি এতেই আমার সান্তনা। আমার শরীর হয়তো কথা বলবে না,কিন্তু আমার কাজগুলো যেন কথা বলে- এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য।
সর্বমোট পোস্টটি দেখেছেনঃ 1020

সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১২

অনলাইনে আয়

অনলাইনে আয়, অফলাইনে আয়, বেডরুমে বসে আয়, বাথরুমে বসে আয়, চারিদিকে শুধু আয় আর আয়। নেটের বাংলা টেক ব্লগগুলোতে ঢুকলে মনে হয় বাঙালি ধুমছে আয় করে একেকজন চার-পাঁচটা করে আইফোন-ম্যাকবুক কিনে বড়লোক হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ইন্টারনেটে আয়ের জন্য বিশেষ করে বাঙালিরা যে পরিমান কষ্ট করেন, তার বিনিময়ে খুবই নগণ্য আয় করতে পারেন। তবে আরো দুঃখের বিষয় হলো, যারা এই নগণ্য পরিমাণ আয় করতে জানেন, তারাও সংখ্যায় অতি নগণ্য। সবমিলিয়ে বাস্তবতা হলো, যত বেশি আয়ের কথা চারিদিকে শোনা যাচ্ছে, ততোটা আয় আসলে হচ্ছে না। বাঙালি আজও গ্রামীণফোনের ১ গিগাবাইটের প্যাকেজের ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আজও ফ্রি হোস্টিং-এ ওয়েবসাইট হোস্ট করে। কিন্তু যারা অনলাইনে আয়ের চেষ্টায় ব্যর্থ, তারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন? কেন এই ব্যর্থতা?
বাঙালির বর্তমান ট্রেন্ড হচ্ছে অ্যাডফ্লাই। হঠাৎ করেই সব ব্লগে ছবি, ম্যাগাজিন, গেম ইত্যাদি ডাউনলোড লিংকের হিড়িক পড়ে গেছে। কিন্তু লিংকে ক্লিক করতে গেলেই আসল কারণ বোঝা যায়। সবাই যে লিংকের আড়ালে বিজ্ঞাপন ঢেকে রেখেছে। ১০০০ ক্লিকে মাত্র কতো ডলার যেন। এর বিনিময়ে মানুষ যেভাবে কষ্ট করছেন, কেউ কেউ আলাদা ব্লগও খুলে ফেলেছেন, কিন্তু দেখলে হাসি আসে যে তাদের এই ধৈর্য্য কতদিন থাকবে?
আসলে বেশিদিন থাকবে না। অন্তত পিটিসি, লিংক অ্যাড এসব দিয়ে হয়তো আয় করা যায় কিন্তু তা কখনোই আপনি যতোটা খাটছেন তার অর্ধেকের জন্যও যথোপযুক্ত নয়। আমাদের বাঙালির মহা সমস্যা হলো আমরা এক লাফে গাছের মগডালে উঠার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আমি যে ব্যতিক্রম, তা কিন্ত বলছি না। মাঝে মাঝে আমিও লাফ দেয়ার জন্য তৈরি হই। কিন্তু শেষে কী হবে তা ভেবে নিজেকে সামলে নিই। তবে অনেকেই তা পারেন না।
আপনি যদি সত্যিই আয় করতে চান এবং তা যদি কম্পিউটারওয়েবসাইট ইত্যাদির উপরে হতে হয় তাহলে আপনার প্রথমেই যা প্রয়োজন তা হলো শিক্ষা।

বেছে নিন আপনার পছন্দ

শিক্ষা গ্রহণের আগে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার আগ্রহ কোথায়। অনেকেই বলবেন ফ্রিল্যান্সিং। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কোনো কাজ না। এটা কাজের একটা উপায় মাত্র। তাহলে আপনার পছন্দের কাজ কোনটি? গ্রাফিক্স ডিজাইনওয়েব ডিজাইন? অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট? জাভা ডেভেলপমেন্ট? আইফোন অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট? ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট? সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট? ফ্ল্যাশ ডেভেলপমেন্ট? থ্রিডি এনিমেশন ডেভেলপমেন্ট? ভিডিও এডিটিং? নাকি অডিও মিক্সিং?
এগুলোর বাইরেও আরো অনেক কাজ রয়েছে যা আপনি একটু খোঁজ করলেই জানতে পারবেন। অতএব, টাকার দিকে হাত বাড়ানোর আগে জেনে নিন আপনার কোন কাজটি শেখা দরকার।

শিখে নিন আপনার কাজ

আপনি যেই কাজই শিখতে চান না কেন, আপনার জন্য রয়েছে প্রচুর অপশন। বাংলাদেশেই অনেক ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে যারা কোনো না কোনোটার উপরে বেশ ভালো শেখায়। যেমন আমি শুনেছি বিডিজবস পিএইচপি খুব ভালো শেখায়। এভাবে আপনি যা শিখতে চান তা কোথায় ভালো শেখা যাবে তা খোঁজ নিন। কিছুটা টাকা হয়তো খরচ হবে, কিন্তু এতে করে মনে করুন গাছে উঠার জন্য আপনি ক্রেন তৈরি করছেন।
অন্যদিকে ইংরেজিতে ভালো জ্ঞান থাকলে আর ইন্টারনেট স্পিড ভালো থাকলে টরেন্ট দিয়ে ডাউনলোড করতে পারেন লিন্ডা বা টোটাল ট্রেনিং-এর যে কোনো সফটওয়্যার এর উপর সম্পূর্ণ ট্রেনিং ভিডিও। এছাড়াও বিভিন্ন সাইটেও এসব শিখতে পারবেন। আর শেখার কাজ শুরুর সময় অবশ্যই আপনি যা শিখতে চাচ্ছেন তার উপর ভালো একটি ফোরাম খুঁজে বের করুন। সেখানে আপনার ছোটখাটো প্রশ্ন করে অন্যদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারবেন উত্তর। মনে রাখবেন, বহিঃর্বিশ্বের মানুষ যথেষ্টই হেল্পফুল। বিশেষ করে এসব ফোরামে আপনি সাহায্য পাবেন তা নিশ্চিত থাকতে পারেন। কেবল প্রয়োজন হবে সঠিক ফোরামের এবং ইংরেজিতে অল্প দক্ষতা।

এবারে আয় করুন দু’হাতে

শুরুটা কখনোই অনেক ভালো হয় না। তাই মনের জোর নিয়ে কাজের সন্ধানে নেমে পড়ুন। প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ক্লায়েন্ট খুঁজুন। দু-একটি কাজ করে তারপর দেশীয় কোনো কোম্পানিতে জয়েন করতে পারেন। বাংলাদেশে অনেক ভালো ভালো ফার্ম আছে। খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। এসব জায়গায় কাজ করলে আপনার টাকার পাশাপাশি ক্যারিয়ারও তৈরি হবে। আর যদি এরই মধ্যে ওডেস্ক বা ইল্যান্সে ভালো অবস্থানে পৌঁছে যেতে পারেন, তখন আপনিই ডিসিশন নিতে পারবেন দেশীয় কাজটা ধরে রাখবেন নাকি ফ্রিল্যান্সিং-এ ডেডিকেটেডভাবে কাজ করবেন।
তবে সবক্ষেত্রেই আপনাকে শিখতে হবে খুব ভালোভাবে। আপনার পছন্দের বিষয় হলে শিখতে কোনো অসুবিধা হবে না। এভাবেই আপনি নিশ্চিত উপায়ে সত্যিকারের টাকা আয় করতে পারবেন আপনার পছন্দের কাজ করেই।
এরকম আরও কিছু পোস্টঃ

বাংলা বই সংক্রান্ত কিছু ওয়েবসাইট

বই মানুষের নিত্যসঙ্গী। মানুষ বই পড়ে জ্ঞান আহরনের জন্য। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কাজের চাপে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ প্রভৃতি বই পড়া হয়ে ওঠে না অনেকেরই। বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক দেশী ও বিদেশী সাইট রয়েছে যেগুলো থেকে ফ্রী উক্ত বইগুলো পড়তে, ডাউনলোড করতে, সমালোচনা করতে পারবেন। নতুন বই সম্পর্কে জানতে পারবেন। নিচে আমি কিছু দেশী বইয়ের সাইটের নাম দেব যেগুলা থেকে ফ্রী বই ডাউনলোড করতে পারবেন, বই পড়তে পারবেন এবং আরও সুবিধা পাবেন। তাই আজই সাইটগুলো ভিজিট করুন।
সাইটগুলো নিম্নরুপ:
www.boi-mela.com  
www.boibazaar.com  
www.barnamala.org  
www.gronthamela.com   
www.banglakitab.com  

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ :


  1. বেসিক কম্পিউটার কোর্স – MS Word, Excel, PowerPoint, Access,Internet Browsing E-mail.
  2. প্রোগ্রামিং কোর্স – C, Java,Visual basic,
  3. ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট কোর্স – HTML, CSS, Dreamweaver,Javascript, PHP, MySQL, CodeIgniter, Joomla
  4. গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স – Photoshop, Illustrator,Auto Cad
  5. ভিডিও এনিমেশন কোর্স – Adobe Premiere Pro,EDIUS 
    Photo Impact Flash, 3ds Max
  6. ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং,
  7. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং কোর্স
  8. ডাটাবেইজ কোর্স – MS Access, Oracle, MySQL

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

আমাদের প্রশিক্ষণ কোর্স সমূহ :



                                                  কোর্স সমূহ :



১.কম্পিউটার বিভাগ
,
২.ইলেকট্রিক বিভাগ 
৩.স্পোকেন ইংলিশ 
৪.সেলাই কাটি   

ইন্টারনেটে টাকা আয় কীভাবে করবেন

ইন্টারনেট ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করা যায়। চাকরীর জন্য ধর্না দিতে হয় না, চাকরীক্ষেত্রের বিরূপ পরিবেশ মুখ বুজে মেনে নিতে হয় না, এখানে-ওখানে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় না। ঘরে বসে নিজের সুবিধেজনক সময়ে কাজ করলেই চলে। দক্ষতা যত বেশি আয় তত বেশি, এই একটামাত্র নিয়মে মাসে লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। অন্তত কাগজে কলমে। বাস্তবে আপনি কতটা করতে পারবেন সেটা আপনার ওপর। এখানে কিছু পদ্ধতির কথা পর্যায়ক্রমিকভাবে জানানো হচ্ছে।
প্রথমেই একটা কথা জানিয়ে রাখা ভাল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আয়ের সুত্র অন্য দেশ। কাজেই টাকা কিভাবে আপনার হাতে পৌছাবে সেটা ঠিক করে নিন। বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে টাকা গ্রহন করার বিধিনিষেধ থাকায় সহজ কাজটিও জটিল হয়ে দাড়াতে পারে। পে-পল (বিনামুল্যের এবং সহচেয়ে সহজ, জনপ্রিয় এবং প্রচলিত পদ্ধতি) ব্যবহারের জন্য অন্যদেশে ব্যাংক একাউন্ট প্রয়োজন হতে পারে।
পদ্ধতি-১ : বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক
সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করা যায় এই কাজের মাধ্যমে। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে প্রচুর পরিমান ভিজিটর যায় এমন ওয়েব সাইট। ভিজিটর যত বেশি বিজ্ঞাপনের মুল্য তত বেশি (সংবাদপত্র কিংবা টিভি বিজ্ঞাপনের সাথে তুলনা করতে পারেন)। বিজ্ঞাপন আপনাকে খুজতে হবে না, অন্যরা আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন দেবে এবং ভিজিটর সেখানে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। আপনার ক্লায়েন্ট যেহেতু বিশ্বজুড়ে সেহেতু আপনার আয় তাদের তুলনায় বেশি হওয়া সম্ভব।
দক্ষতা : ধরে নেয়া হচ্ছে আপনার চালু ওয়েবসাইট রয়েছে। না থাকলে নিজে অথবা অর্থ ব্যয় করে তৈরী করে নিতে হবে। নিয়মিত সেখানে পরিবর্তন প্রয়োজন হবে। কাজেই অন্তত সাধারন পর্যায়ের এইচটিএমএল জানতে হবে। যদি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করতে হয় তাহলে গ্রাফিক ডিজাইন জানা থাকলে খরচ কমবে।
ব্যবসা শুরুর খরচ : যেহেতু বিপুল পরিমান ভিজিটর আপনার লক্ষ্য সেহেতু নিজস্ব ডোমেই-হোষ্ট ব্যবহার করা প্রয়োজন। আপনার খরচের তালিকায় থাকবে ওয়েব পেজ তৈরী, ডোমেইন নেম (অনেক ক্ষেত্রেই হোষ্টিং এর সময় বিনামুল্যে পাওয়া যায়) এবং হোষ্টিং খরচ। বিশ্বের সেরা হোষ্টিং সার্ভিসের জন্য খরচ মোটামুটি ৫০ ডলার। এছাড়া যে কম্পিউটার ব্যবহার করবেন সেই হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার খরচের সাথে যোগ হবে। খুব বেশি বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপনার জন্য দামী সফটওয়্যার প্রয়োজন হতে পারে। ইন্টারনেট ব্যবহার সবচেয়ে বড় সুবিধে, অফিসের জন্য খরচ নেই।
জনবল : আপনি একাই এই ব্যবসা চালু করতে পারেন। তবে দুচারজন সঙ্গিসাথি সবসময়ই বড় কাজের সহায়ক। ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির সাথেসাথে জনবল বাড়তে পারে।
ই-বিজনেস পদ্ধতি : আপনাকে যেহেতু লেনদেনের এবং যোগাযোগের কাজ পুরোটাই অনলাইনে করতে হবে সেহেতু ই-বিজনেসের নিয়মকানুন জানতে হবে। খুব সহজেই ইন্টারনেট খুজে এসব তথ্য জেনে নিতে পারেন।
যেদিকে দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন : যেহেতু আপনি বড় আকারের ব্যবসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সেহেতু যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে সেটি কাজের জন্য উপযোগি কিনা যাচাই করে নেয়া প্রয়োজন। বিজ্ঞাপনের ধরন অনুযায়ী জটিল এবং দামী সফটওয়্যার প্রয়োজন হতে পারে (বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপনার সফটঅয়্যারগুলি নিজেই বিজ্ঞাপনকে বিভিন্ন পেজে দেখানোর জন্য সাজিয়ে দেয়)।
সার্ভারে কতটুকু যায়গা প্রয়োজন হতে পারে সেটা নিশ্চিত হয়ে নেয়া প্রয়োজন। ভিডিও ব্যবহার করলে বেশি যায়গা প্রয়োজন হতে পারে। সার্ভারে এজন্য বেশি অর্থ দিতে হয়।
ক্লায়েন্ট যেন সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে (টেলিফোন অথবা অনলাইন চ্যাট) সে ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।
প্রচারের জন্য যতটা সম্ভব নিজের সাইটের বিজ্ঞাপন দেয়া প্রয়োজন। এছাড়া ওয়েব সাইটের প্রচারের জন্য যে পদ্ধতিগুলি প্রচলিত সেগুলি ভালভাবে দেখে নেয়া প্রয়োজন। জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলি দেখলে সেখান থেকে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর নিয়ম মেনে চলুন।
পুরো কাজের জন্য পরিকল্পনা আগেই করা প্রয়োজন। পৃথিবীর শতশত কোটি ওয়েবসাইটের মধ্যে আপনার নিজের ওয়েবসাইট পরিচিত করার কাজটি সহজ ধরে নেবেন না। শুরু করলেই সাথেসাথে টাকা আসতে শুরু করবে এটাও মনে করবেন না। টাকা আয়ের কোন সহজ পথ নেই। ওয়েবসাইটকে জনপ্রিয় করতে, ভিজিটরদের আকৃষ্ট করতে নানারকম পদ্ধতি প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন ওয়েবসাইট বিশ্লেষন করে ধারনা পেতে চেষ্টা করুন কোন ধরনের সাইট তৈরী সম্ভব, কতটুকু সাফল্য পাওয়া সম্ভব। এজন্য কয়েকমাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। 
শুরুর জন্য নিজের ওয়েবসাইট তৈরী করে জনপ্রিয় করার কাজটি বড় এবং জটিল মনে হতে পারে। সেক্ষেত্রে এই ধারাবাহিকে তুলনামুলক ছোট এবং সহজ অন্য পথগুলি দেখুন।
আপডেট
ঠিক কিভাবে টাকা আয় হবে জানতে চেয়েছেন কেউ কেউ। কোন প্রতিষ্ঠান যদি আপনার ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চায় তার কাছে টাকা নেবেন। অনেকটা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়াপর মত। এটা একটা পদ্ধতি। 
আরেক পদ্ধতি হচ্ছে গুগলের এডসেন্স ব্যবহার করা।
বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ‘এডস বাই গুগল‘ লেখা বিজ্ঞাপন লিংক নিষ্চয়ই দেখেছেন। এজন্য গুগলের ওয়েবসাইটে নিজের তথ্য দিয়ে রেজিষ্টার করতে হয়। এরপর তাদের নির্দেশ মত কিছু কোড ব্যবহার করলেই আপনার ওয়েব সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে বিজ্ঞাপন আসতে থাকবে। ভিজিটর যখন কোন লিংকে ক্লিক করবেন তখন প্রতি ক্লিকের জন্য আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। লিংকভেদে অর্থের পরিমান কমবেশি হয়।
কাজেই, আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর যত বেশি ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি, আয়ের সম্ভাবনা তত বেশি। আবার বিনোদন মুলক লিংকের চেয়ে বিষয়ভিত্তিক লিংকে ক্লিকে অর্থের পরিমান বেশি। যেমন ক্রিকেট বিষয়ক লিংকে ক্লিকের জন্য হয়ত পাবেন কয়েক সেন্ট, অর্থ বিষয়ক লিংকে পাবেন কয়েক ডলার।
নিজের ওয়েব সাইটে নিজেই ক্লিক করে আয়ের চেষ্টা করবেন না। ফলস ক্লিক যাচাই করার ব্যবস্থা আছে। সেক্ষেত্রে আপনার একাউন্ট বাতিল করা হবে।
যেকোন সময় আপনার একাউন্টে জমা টাকার পরিমান জানা যাবে এবং কোন সময়ের বিল পেতে চান জানালে গুগল আপনার ঠিকানায় ব্যাংকচেক পাঠাবে।
গুগলের এডসেন্স সবচেয়ে সুবিধেজনক। তাদের বিনামুল্যে ওয়েব সার্ভিস ব্লগার (ব্লগষ্পট) ব্যবহার করলে ওয়েব হোষ্টিং এর খরচও বেচে যায়, তারা ব্যাংক চেক পাঠায় যা ভাঙানো সহজ। 
আরো অনেকেরই এধরনের বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক চালু আছে।
নিজের ওয়েবসাইট তৈরী না করেও ইন্টারনেটে আয় করা যায়।